সারা বাংলাদেশের গাড়ি মালিকরা যেসব বাস্তব সমস্যায় ছিলেন, আর আমার অটো কীভাবে সেগুলোর সমাধান দিল — দেখে নিন।
ভুল হিসাব, বকেয়া হারানো, গাড়ি ট্র্যাক না রাখা — সারা দেশের মালিকরা যেসব সমস্যায় ছিলেন, আমার অটো কীভাবে সমাধান দিল।
খাতায় হাতে যোগ-বিয়োগ করতে গিয়ে প্রতি মাসে হিসাব ভুল হতো — কোন ড্রাইভার কত দিয়েছে মিলত না, মাস শেষে ৮–১০ হাজার টাকা গরমিল থেকে যেত।
কিপ্যাডে এক ট্যাপে জমা নেওয়া হয়, বকেয়া স্বয়ংক্রিয় হিসাব হয়। কোনো ম্যানুয়াল যোগ-বিয়োগ নেই।
কোন ড্রাইভার কত বাকি কেউ মনে রাখত না। ড্রাইভার ছেড়ে গেলে বকেয়া টাকা আর উদ্ধার হতো না।
প্রতিটি ড্রাইভারের বকেয়া অ্যাপে লাল দেখায়, সময়মতো SMS রিমাইন্ডার চলে যায়।
সহকারী জমা নিত, মাঝে মাঝে কিছু টাকা সরিয়ে রাখত — ধরা যেত না, প্রমাণও থাকত না।
প্রতিটি জমা সময়সহ (টাইম-স্ট্যাম্প) রেকর্ড হয়, রসিদ শেয়ার করা যায়।
ফিটনেস, ইন্সুরেন্স ও ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ ভুলে যেতাম — রাস্তায় পুলিশ জরিমানা করত।
মেয়াদ শেষের আগেই অ্যাপ সতর্ক করে দেয়।
মাস শেষে সব ড্রাইভারের জমা-খরচ মেলাতে রাত জেগে থাকতে হতো, তবু ভুল থেকে যেত।
মাসিক আয়-ব্যয় ও লাভের PDF রিপোর্ট এক ক্লিকে তৈরি হয়।
প্রতিটি গাড়ির আলাদা খাতা ছিল — মাস শেষে মেলাতে গিয়ে সব গুলিয়ে যেত।
CNG, অটো ও রেন্ট-এ-কার — সব গাড়ি এক ড্যাশবোর্ডে।
ভাড়ার গাড়ি কোথায় গেছে, ঠিকঠাক ফিরছে কিনা — বারবার ফোন করে জানতে হতো।
লাইভ GPS ম্যাপে সব গাড়ির অবস্থান এক নজরে।
তেল, মেরামত, গ্যারেজ ভাড়া কোথায় কত গেল হিসাব থাকত না — আসল লাভ কত বোঝাই যেত না।
খরচ আলাদা ক্যাটাগরিতে রাখি, চার্টে লাভ-ক্ষতি দেখি।
হাতে লেখা রসিদ হারিয়ে যেত, কে কত দিয়েছে নিয়ে ড্রাইভারের সাথে বিতর্ক হতো।
ডিজিটাল রসিদ তৈরি হয়, শেয়ার ও সেভ থাকে।
সফটওয়্যারের জন্য আগাম টাকা দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না, তাই ডিজিটাল হওয়া হয়নি।
পোস্টপেইড — আগে ব্যবহার, মাস শেষে বিকাশে বিল পরিশোধ।
এখনই ইনস্টল করুন — কোনো অগ্রিম পেমেন্ট ছাড়াই শুরু করুন।