দৈনিক জমা, ভাড়া/ট্রিপ, ড্রাইভার, খরচ আর রিপোর্ট — অটো, CNG, রেন্ট-এ-কার, বাস ও ট্রাক সব একসাথে এক অ্যাপে। কোনো অগ্রিম পেমেন্ট নেই, ব্যবহার করুন আগে, পরিশোধ করুন পরে।
সব গাড়ি কোথায় — এক নজরে
এনক্রিপ্টেড ক্লাউড ব্যাকআপ
জমা, বকেয়া ও রিমাইন্ডার SMS-এ
যেকোনো সময় সাহায্য পাবেন
ড্রাইভার বেছে কিপ্যাডে এক ট্যাপে জমা নিন; বকেয়া স্বয়ংক্রিয় হিসাব।
আয়-ব্যয়ের ধারা, লাভ-ক্ষতি — রঙিন চার্ট ও PDF রিপোর্টে।
এনক্রিপ্টেড ক্লাউডে নিরাপদ — যেকোনো ডিভাইসে একই হিসাব।
ট্র্যাকারের অবস্থান ম্যাপে — গাড়ি চালু হলেই অটো, ম্যানুয়াল চালু লাগে না। ট্র্যাকার না থাকলে অর্ডার করুন →
হিসাব থেকে রিপোর্ট — CNG, অটোরিকশা ও রেন্ট-এ-কার মালিকদের জন্য তৈরি প্রতিটি ফিচার।
দৈনিক জমা, ভাড়া/ট্রিপ ও ড্রাইভারের বকেয়া — এক ট্যাপে।
অটো, CNG, বাইক, কার, বাস, ট্রাক — সব type এক অ্যাকাউন্টে।
বুকিং, ট্রিপ, ক্লায়েন্ট বিল ও ফ্লিট ক্যালেন্ডার।
প্রোফাইল, অ্যাসাইনমেন্ট ও KYC তথ্য।
আয়-ব্যয়, লাভ — চার্ট, PDF ও Excel।
পার্টস স্টক, সরবরাহকারী বাকি ও বিক্রয় রসিদ।
মাইলেজ (KPL), সার্ভিস রিমাইন্ডার ও খরচ।
যাত্রী স্ক্যান করে যাচাই ও অভিযোগ; বাল্ক QR প্রিন্ট।
ব্যবসা নয় — নিজের গাড়ি/বাইকের ফুয়েল, মাইলেজ ও সার্ভিস।
পুরনো গাড়ি, বাস, ট্রাক বা যন্ত্রাংশ — অ্যাপেই কেনাবেচা।
সব গাড়ি লাইভ ম্যাপে — চলছে, থেমে আছে, শেষ অবস্থান। ট্র্যাকার অর্ডার করুন →
প্রতিদিনের জমা, মাসিক লাভ, ড্রাইভারের বকেয়া — সব এক ড্যাশবোর্ডে। হিসাব রাখা এখন অনেক সহজ।
অটোরিকশা, সিএনজি, চার্জিং গ্যারেজ, রেন্ট-এ-কার, বাস কোম্পানি, ট্রাক ও ট্রান্সপোর্ট কিংবা ব্যক্তিগত গাড়ি — আপনার ধরন বেছে বিস্তারিত দেখুন।
পুরো অ্যাপ ডিজাইন করা হয়েছে সহজ ব্যবহারের জন্য — যেকোনো স্ক্রিনে ট্যাপ করে বড় করে দেখুন।
প্রতিটি অটো, CNG বা রেন্ট-এ-কার এখন কোথায় — এক নজরে ম্যাপে দেখুন। গাড়ি চালু হলেই অটো ট্র্যাকিং, ম্যানুয়াল চালু লাগে না।
সব গাড়ি কোথায় — রিয়েল-টাইম ম্যাপে।
কোথায় গেছে, কতক্ষণ থেমেছিল — পুরো ইতিহাস।
গাড়ি নড়লে সাথে সাথেই জানুন।
প্রতিটি গাড়ির জন্য একটি QR স্টিকার — যাত্রী স্ক্যান করে দেখে নিতে পারেন গাড়ি ও চালক আসল কিনা, আর দরকার হলে আপনার নম্বর না দেখেই আপনাকে বার্তা পাঠাতে পারেন।
গাড়ি, চালক ও মালিকের তথ্য যাচাই — নিরাপদ যাত্রা।
আপনার ফোন নম্বর কেউ দেখে না, তবু বার্তা আপনার কাছেই আসে।
যাত্রীর অভিযোগ বা ফেলে যাওয়া জিনিসের খবর সরাসরি অ্যাপে, সঙ্গে সঙ্গে নোটিফিকেশন।
এক পেজে বাল্ক প্রিন্ট, নিচে নিজের ব্যবসার নাম লিখে দিন।
একটাই গাড়ি বা বাইক হলেও চলবে — সেটআপে "পারসোনাল" বেছে নিন, পুরো অ্যাপ তখন আপনার নিজের গাড়ির খরচ, মাইলেজ ও সার্ভিসিং ঘিরে সাজানো থাকে। জমা-ড্রাইভারের ঝামেলা নেই।
পরিমাণ, দাম ও ওডোমিটার লিখুন — মাইলেজ (KPL) ও প্রতি কিমি খরচ নিজে থেকেই বেরিয়ে আসে।
কোন মাসে কত খরচ, দাম বাড়ল না কমল, শহর নাকি হাইওয়েতে বেশি চলছেন — চার্টে।
কার গাড়ি বেশি খরচ করছে — গাড়িভিত্তিক লিডারবোর্ডে পাশাপাশি দেখুন।
পরের সার্ভিসিং কত কিমি বা কত দিন পরে — সময় হলে অ্যাপই মনে করিয়ে দেবে।
ভুল হিসাব, বকেয়া হারানো, গাড়ি ট্র্যাক না রাখা — সারা দেশের মালিকরা যেসব সমস্যায় ছিলেন, আমার অটো কীভাবে সমাধান দিল।
খাতায় হাতে যোগ-বিয়োগ করতে গিয়ে প্রতি মাসে হিসাব ভুল হতো — কোন ড্রাইভার কত দিয়েছে মিলত না, মাস শেষে ৮–১০ হাজার টাকা গরমিল থেকে যেত।
কিপ্যাডে এক ট্যাপে জমা নেওয়া হয়, বকেয়া স্বয়ংক্রিয় হিসাব হয়। কোনো ম্যানুয়াল যোগ-বিয়োগ নেই।
কোন ড্রাইভার কত বাকি কেউ মনে রাখত না। ড্রাইভার ছেড়ে গেলে বকেয়া টাকা আর উদ্ধার হতো না।
প্রতিটি ড্রাইভারের বকেয়া অ্যাপে লাল দেখায়, সময়মতো SMS রিমাইন্ডার চলে যায়।
সহকারী জমা নিত, মাঝে মাঝে কিছু টাকা সরিয়ে রাখত — ধরা যেত না, প্রমাণও থাকত না।
প্রতিটি জমা সময়সহ (টাইম-স্ট্যাম্প) রেকর্ড হয়, রসিদ শেয়ার করা যায়।
ফিটনেস, ইন্সুরেন্স ও ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ ভুলে যেতাম — রাস্তায় পুলিশ জরিমানা করত।
মেয়াদ শেষের আগেই অ্যাপ সতর্ক করে দেয়।
মাস শেষে সব ড্রাইভারের জমা-খরচ মেলাতে রাত জেগে থাকতে হতো, তবু ভুল থেকে যেত।
মাসিক আয়-ব্যয় ও লাভের PDF রিপোর্ট এক ক্লিকে তৈরি হয়।
প্রতিটি গাড়ির আলাদা খাতা ছিল — মাস শেষে মেলাতে গিয়ে সব গুলিয়ে যেত।
CNG, অটো ও রেন্ট-এ-কার — সব গাড়ি এক ড্যাশবোর্ডে।
ভাড়ার গাড়ি কোথায় গেছে, ঠিকঠাক ফিরছে কিনা — বারবার ফোন করে জানতে হতো।
লাইভ GPS ম্যাপে সব গাড়ির অবস্থান এক নজরে।
তেল, মেরামত, গ্যারেজ ভাড়া কোথায় কত গেল হিসাব থাকত না — আসল লাভ কত বোঝাই যেত না।
খরচ আলাদা ক্যাটাগরিতে রাখি, চার্টে লাভ-ক্ষতি দেখি।
হাতে লেখা রসিদ হারিয়ে যেত, কে কত দিয়েছে নিয়ে ড্রাইভারের সাথে বিতর্ক হতো।
ডিজিটাল রসিদ তৈরি হয়, শেয়ার ও সেভ থাকে।
সফটওয়্যারের জন্য আগাম টাকা দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না, তাই ডিজিটাল হওয়া হয়নি।
পোস্টপেইড — আগে ব্যবহার, মাস শেষে বিকাশে বিল পরিশোধ।
ঘণ্টা-দিন হিসেবে পর্যটকদের বাইক-কার ভাড়া দিতে গিয়ে কে কখন নিল, কখন ফেরত দিল, বাড়তি সময়ের চার্জ কত — সব খাতায় গুলিয়ে যেত।
এক ট্যাপে ভাড়া শুরু (রিলিজ) ও ফেরত (এন্ড) রেকর্ড হয়, সময় হিসেবে বিল ও বাড়তি চার্জ স্বয়ংক্রিয় হিসাব হয়, পর্যটকের ফোনে SMS-এ বিলের লিংক চলে যায়।
মোবাইল নম্বর ও OTP দিয়ে কয়েক সেকেন্ডে।
আপনার গাড়ি ও ড্রাইভারের তথ্য দিন।
দৈনিক জমা নিন, রিপোর্ট দেখুন — সব এক জায়গায়।
বিকাশ পেমেন্ট, SMS রিমাইন্ডার, Autonemo GPS লাইভ ম্যাপ, PDF রিপোর্ট — সব এক প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত। CNG, অটোরিকশা, রেন্ট-এ-কার — সব type এক ড্যাশবোর্ডে; ১০০+ গাড়ি লাইভ ম্যাপে দেখুন।
ফিচার দেখুনঅটো-CNG আর চার্জিং গ্যারেজ থেকে গাড়ির শোরুম, ওয়ার্কশপ, যন্ত্রাংশের দোকান, রেন্ট-এ-কার, সিটি বাস ও ট্রাক — এমনকি নিজের গাড়ির হিসাবও অনেকে আমার অটোতেই রাখেন।
"ক্রেতাকে কোটেশন পাঠাই লিংকে, সে ফোনেই খুলে দেখে — ছাপাতে হয় না।"
"আগে খাতায় লিখতাম, এখন এক ট্যাপে জমা। কোন ড্রাইভারের কত বাকি, লাল রঙ দেখেই বুঝি।"
"বাকিতে বিক্রি করলে গ্রাহকের নামে উঠে যায় — মাস শেষে কে কত বাকি, এক নজরে।"
"জামানত ফেরতের হিসাবে আগে গোলমাল হতো, এখন লেখা থাকে।"
"মাসের বিল একসাথে দেখি — কার কত ইউনিট, কত টাকা।"
"আলাদা ধরনের গাড়ি বলে আলাদা অ্যাপ লাগেনি, একটাতেই চলছে।"
"দুটো গাড়ির খরচ পাশাপাশি দেখে বুঝলাম কোনটা বেশি খাচ্ছে।"
"ভাড়া নেওয়ার সময় এনআইডি রেখে দিই — সবই অ্যাপে তোলা থাকে।"
"স্টকে গাড়ি তুললেই আমার ওয়েবসাইটে চলে আসে, ফেসবুকে শুধু লিংকটা দিই।"
"জামানত কত নিলাম আর কত ফেরত দিলাম, সবই লেখা থাকে।"
"কাজ শেষ হলে গ্রাহককে জানিয়ে দিই, এসে আর বসে থাকতে হয় না।"
"আমি আর ম্যানেজার দুজনের ফোনে একই হিসাব, যে যেখানেই থাকি।"
"সপ্তাহে একদিন বসে সব মেলাতাম, এখন প্রতিদিনই মেলানো থাকে।"
"মালিকদের কবে কত দিলাম ওয়ালেটে লেখা থাকে — কেউ আর প্রশ্ন তোলে না।"
"৯টা CNG-র দৈনিক জমা মেলাতে আগে রাত হয়ে যেত, এখন দশ মিনিট।"
"যেদিন চার্জ নেয় না সেদিনের দর আলাদা করে দেওয়া আছে, গ্রাহকের সাথে আর ঝামেলা হয় না।"
"১১টা অটোর হিসাব একটা ফোনেই। আগে তিনটা খাতা সামলাতে হতো।"
"বছরে একবার পুরো স্টক গুনি — কম-বেশি যা হয়, অ্যাপ দেখিয়ে দেয়।"
"কোন গাড়ি কত দিন ধরে পড়ে আছে রিপোর্টে দেখি, তারপর দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিই।"
"জমার রসিদ ড্রাইভারকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাই — পেশাদার লাগে, বিশ্বাসও বাড়ে।"
"পুরো অ্যাপ বাংলায় বলে আমার সহকারীও দুদিনে শিখে নিয়েছে।"
"৯টা গাড়ি ভাড়ায় চলে — কোনটা কবে ফিরবে, দেখেই বুকিং নিই।"
"আগের তারিখের জমাও তুলতে পারি, খতিয়ানে চিহ্ন থাকে বলে গোলমাল হয় না।"
"কাগজের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সতর্কতা আসে। আগে দুবার জরিমানা দিয়েছি, এরপর আর না।"
"দিনে কয়টা গাড়ি ঢুকল আর কত আয় হলো, সন্ধ্যায় একবার দেখে নিই।"
"ওয়েবিল আর চুক্তির টাকা এক শিটেই ওঠে, আলাদা খাতা লাগে না।"
"ড্রাইভার বদল হলেও পুরনো হিসাব অ্যাপেই থাকে, NID আর ছবিও রাখা যায়।"
"সিরাজগঞ্জ থেকেই দেখি আজ কত জমা পড়ল আর কত খরচ হলো।"
"গাড়ি ঢুকলেই জব কার্ড খুলি — কী সমস্যা, কে কাজ করছে, সব এক জায়গায়।"
"প্রতি ট্রিপে তেল, টোল আর চাঁদা বাদ দিয়ে কত থাকল — গাড়ি ফেরার আগেই জেনে যাই।"
"অফিসে যাতায়াতে মাসে কত যায় জানতাম না, এখন জানি।"
"লাইভ ম্যাপে গাড়ি কোথায় দেখি, ড্রাইভারকে বারবার ফোন করতে হয় না।"
"সুপারভাইজার বদল হলেও দিনের হিসাব আটকায় না।"
"তেলের দাম বাড়লে খরচের লাইনটা উপরে ওঠে — চোখে পড়ে।"
"কাকে কবে কত ছাড় দিলাম সেটাও লেখা থাকে, পরে আর ভুল হয় না।"
"কোন মিস্ত্রি মাসে কত কাজ করল আর মজুরি কত — রিপোর্টেই পেয়ে যাই।"
"ড্রাইভারসহ দিলে তার খরচটাও ভাড়ার সাথেই ধরি।"
"গাড়ি নষ্ট থাকলে সেদিনের জমা বাদ দিই — মাস শেষে হিসাবে গোলমাল হয় না।"
"কোন বাইকটা বেশি চলছে আর কোনটা পড়ে আছে, দেখেই বুঝি।"
"পার্টির কাছে কত পাওনা আর কত অগ্রিম নিয়েছি, সব এক পাতায়।"
"ব্যাটারি বদলানোর খরচটা ওই গাড়ির নামেই লিখি, পরে হিসাব মেলে।"
"কোন পার্টস কমে এসেছে অ্যাপ নিজেই বলে দেয়, অর্ডার দিতে আর ভুল হয় না।"
"৫টা ট্রাকের মধ্যে কোনটা লাভে চলছে আর কোনটা না — মাস শেষে পরিষ্কার।"
"একটা গাড়িতে রঙ, মেরামত আর কাগজে যত খরচ — সব ওই গাড়ির খাতাতেই। বিক্রির পর আসল লাভটা তখনই চোখে পড়ে।"
"ক্রেতা কিস্তিতে নিলে কত দিল আর কত বাকি — মনে রাখতে হয় না, অ্যাপেই থাকে।"
"সুপারভাইজার ফোন থেকেই টিকেট কাটে, যাত্রীর হাতে রসিদ যায় — টাকা দিনের হিসাবে নিজে থেকেই ওঠে।"
"১২টা গাড়ি — অটো, ট্রাক আর একটা মাইক্রো, সব এক অ্যাকাউন্টেই।"
"নষ্ট বা ভাঙা মাল আলাদা করে বাদ দিই, তাই স্টকটা সত্যি থাকে।"
"বারকোড স্ক্যান করে বিল করি, দোকানে আর লাইন জমে না।"
"কোন গাড়ি মাসে কত দিন ভাড়া খাটল দেখে বুঝি কোনটা রাখা লাভের।"
"কে বিল দিয়েছে আর কে বাকি রেখেছে, তালিকার রঙ দেখেই বুঝে যাই।"
"আগে হিসাব লেখার লোক রাখতাম, এখন নিজেই পারি।"
"তিনটা কাউন্টার, তিন জায়গার হিসাব — এখন এক ফোনেই।"
"গ্রাহক মাল ফেরত দিলে স্টকে ফিরে যায়, হাতে ঠিক করতে হয় না।"
"বিলটা প্রিন্টারে বের করে হাতে দিই, গ্রাহক এখন আর হাতে লেখা কাগজ চায় না।"
"জমা কম দিলে বাকিটা পরের দিনে নিজে থেকেই যোগ হয় — হিসাব নিয়ে আর তর্ক হয় না।"
"কোন গাড়ি কত দামে কিনেছি সেটা কর্মচারীরা দেখে না, শুধু আমি দেখি।"
"সার্ভিসিংয়ের সময় হলে মনে করিয়ে দেয় — আর ভুলি না।"
"মাস শেষে বাকির SMS একসাথে সবাইকে পাঠাই — আদায় অনেক বেড়েছে।"
"ঘণ্টা হিসেবে বাইক দিই, সময় ধরে ভাড়াটা নিজে থেকেই হিসাব হয়ে যায়।"
"সরবরাহকারীর দেনা আর আমার পাওনা, দুটোই আলাদা করে পরিষ্কার দেখি।"
"বিদেশ থেকে আনা গাড়ির খরচ ডলারে লিখি, অ্যাপ টাকায় দেখিয়ে দেয়।"
"মাসে কয়টা গাড়ি কিনলাম আর কয়টা বিক্রি হলো — এক পাতাতেই।"
"গাড়ি দেওয়ার সময় ওডোমিটার আর তেলের কাঁটা লিখে রাখি, ফেরত নেওয়ার সময় তর্ক হয় না।"
"কোন মাল বেশি বিক্রি হচ্ছে দেখে সেটাই বেশি আনি।"
"কোন পার্টি সময়মতো টাকা দেয় না, তালিকা দেখলেই বুঝি।"
"নতুন গাড়ি কিনলে শুধু যোগ করে দিই, বাকি সব আগের মতোই চলে।"
"পুরনো গ্রাহক এলে তার গাড়িতে আগে কী কাজ হয়েছিল দেখে নিই।"
"গাড়ি বিক্রির সময় পুরো খরচের হিসাব ক্রেতাকে দেখাতে পেরেছি।"
"দুই ছেলে দুই জায়গায় থাকে, দুজনেই একই হিসাব দেখতে পায়।"
"বাইকটার পেছনে বছরে কত গেল, এই প্রথম হিসাব করে দেখলাম।"
"দেড়শো ইজিবাইকের মিটার রিডিং আর বিল — আগে ভুল হতো, এখন অ্যাপই হিসাব করে।"
"বাইক দেওয়ার আগে ছবি তুলে রাখি, ফেরতের সময় মিলিয়ে দেখি।"
"মিস্ত্রিদের সপ্তাহের মজুরি রিপোর্ট দেখেই দিই — হিসাব নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় না।"
"বাইরে গাড়ি গেলে তেল আর টোল আলাদা লিখি, ক্লায়েন্টের বিলে যোগ হয়ে যায়।"
"গাড়ির ছবি আর কাগজ অ্যাপেই তোলা থাকে, ক্রেতা চাইলেই দেখাই।"
"ফিরতি মাল পেলে সেটাও ওই ট্রিপে যোগ করি — লাভটা তখন আসল লাগে।"
"গ্যারেজে নেট থাকে না, তবু এন্ট্রি দিয়ে রাখি — পরে নিজে থেকেই মিলে যায়।"
"মাস শেষে কোন গাড়িতে কত লাভ হলো, আলাদা করেই দেখি।"
"কাউন্টারে কত জমা পড়ল আর কত বাকি রইল, দিন শেষে মিলিয়ে নিই।"
"ম্যানেজারকে শুধু জমার অনুমতি দিয়েছি, রিপোর্টটা আমি নিজে দেখি।"
"কোন রুটে কোন দিন আয় বেশি, মাস শেষে পরিষ্কার বুঝি।"
"কাজে পার্টস যোগ করলেই দোকানের স্টক থেকে কমে যায়, আলাদা করে লিখতে হয় না।"
"ড্রাইভার দেরি করলে অ্যাপ থেকেই SMS পাঠাই, এখন সবাই সময়মতো দেয়।"
"ছেলে বিদেশে থেকেও ব্যবসার হিসাব দেখতে পায়।"
"ক্লায়েন্টকে ইনভয়েস অ্যাপ থেকেই পাঠাই — অফিসের কাজ কমে গেছে।"
"৮টা বাসের মালিক আলাদা, বণ্টন নিয়ে আগে কথা কাটাকাটি হতো — এখন প্রিভিউ দেখিয়ে চূড়ান্ত করি।"
"নতুন গ্রাহক তুলতে আধা মিনিট লাগে, নাম আর গাড়ির নম্বর দিলেই হলো।"
"পরের সার্ভিসের সময় হলে অ্যাপ মনে করিয়ে দেয়, এক ট্যাপে SMS পাঠাই — পুরনো গ্রাহক ফিরে আসে।"
"কে কোন গাড়ি নিয়েছে আর কবে ফেরত দেবে, কর্মচারীও দেখে নিতে পারে।"
"৮টা বাইক ভাড়ায় খাটে — দিনের আয় সন্ধ্যায় এক নজরে দেখে নিই।"
"কোন ধরনের গাড়িতে লাভ বেশি, পাশাপাশি রেখে বুঝি।"
"অ্যাপে পিন দেওয়া, ফোন হাতছাড়া হলেও হিসাব কেউ দেখতে পাবে না।"
"বিদ্যুৎ বিলটা খরচে লিখে রাখি, তাই মাস শেষে বুঝি আসলে কত থাকল।"
"ওয়ারেন্টিতে পার্টস বদলালে স্টক থেকে কমে ঠিকই, কিন্তু বিক্রি হিসেবে ওঠে না — লাভের অঙ্ক তাই ঠিক থাকে।"
"ব্যবসা নয়, নিজের গাড়ির খরচটা জানতে চেয়েছিলাম। এখন মাসে কত যাচ্ছে চোখের সামনেই থাকে।"
"তেল, মেরামত আর গ্যারেজ ভাড়া আলাদা রাখি — কোথায় বেশি যাচ্ছে বোঝা যায়।"
"প্রতি লিটারে কত কিমি যাচ্ছে অ্যাপ নিজেই হিসাব করে, আমি শুধু তেল ভরার সময় লিখে রাখি।"
"বাকিতে কাজ করালে সেটা তার নামেই থাকে, মাস শেষে তুলে আনি।"
"ড্রাইভারকে অগ্রিম দিলে সেটা ট্রিপের হিসাব থেকেই বাদ যায়।"
"কাগজ আর ফিটনেসের তারিখ অ্যাপ মনে রাখে, আমাকে রাখতে হয় না।"
"দালালের কমিশন আলাদা করে বসে বলে লাভের হিসাব ঘোলাটে হয় না।"
"রিডিং নিতে ভুলে গেলে পরে শুধু টাকাটা জমা নিই, হিসাব আটকে থাকে না।"
"পাওনাদারের তালিকাটা আলাদা — কার টাকা কবে দিতে হবে, ভুলি না।"
মাউস রাখলে থেমে যাবে • ১০৪টি মতামত
শুরু করার আগে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসা করা প্রশ্নগুলো — সংক্ষেপে ও স্পষ্টভাবে।
না, কোনো অগ্রিম পেমেন্ট নেই। মোবাইল নম্বর দিয়ে OTP ভেরিফাই করে ২–৩ মিনিটেই অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়। গাড়ি ও ড্রাইভার যোগ করে সেই দিন থেকেই জমা এন্ট্রি শুরু করতে পারবেন।
মাস জুড়ে যত গাড়ি সক্রিয় থাকবে, মাস শেষে সেই অনুযায়ী অটো ইনভয়েস তৈরি হয়। অ্যাপে ও SMS-এ বিল পাবেন, পরিশোধের জন্য ৭ দিন সময় থাকে। বিল বকেয়া থাকলে কিছু ফিচার সীমিত হতে পারে, কিন্তু হিসাব-তথ্য মুছে যায় না।
হ্যাঁ। জমা, খরচ ও আয় এন্ট্রি ইন্টারনেট ছাড়াই করা যায়। সংযোগ ফিরলেই স্বয়ংক্রিয় সিঙ্ক হয়। একাধিক ফোনে একই অ্যাকাউন্ট চালালে সব এন্ট্রি মিলে যায়।
হ্যাঁ। এক অ্যাকাউন্টে অটো, CNG, ইজিবাইক, বাইক, কার, বাস, ট্রাক ও রেন্ট-এ-কার একসাথে রাখা যায় — মিশ্র বহর সম্পূর্ণ সাপোর্টেড। ১০০+ গাড়ির মালিকরা প্রতিদিন আমার অটো ব্যবহার করছেন।
প্রতিদিনের জমা এন্ট্রি দিলে অ্যাপ বকেয়া অটো হিসাব করে। ড্রাইভার প্রোফাইলে কত জমা দিয়েছে, কত বাকি, কত ছাড় — সব দেখা যায়। চাইলে বকেয়ার SMS রিমাইন্ডারও পাঠানো যায়।
মাস শেষের ইনভয়েস অ্যাপে বা SMS-এ পাবেন। এখন বিকাশে পরিশোধ করা যায়। নগদ, রকেট ও কার্ড শীঘ্রই যুক্ত হচ্ছে।
না। সব ডেটা এনক্রিপ্টেড ক্লাউডে ব্যাকআপ থাকে। নতুন ফোনে লগইন করলে আগের সব তথ্য ফিরে পাবেন। চাইলে মাসিক PDF বা Excel রিপোর্টও ডাউনলোড করে রাখতে পারেন।
হ্যাঁ। গাড়ি যোগ করার সময় type (অটো, CNG, ইজিবাইক, বাইক, কার, বাস, ট্রাক) বেছে নেওয়া যায়। রিপোর্টে সব মিলিয়ে বা type অনুযায়ী আলাদা দেখা যায় — আলাদা অ্যাকাউন্টের দরকার নেই।
Autonemo বা অন্য GPS প্যানেলে আপনার নিজের অ্যাকাউন্ট থাকলে API যোগ করে অ্যাপে লাইভ ম্যাপ চালু হয়। গাড়িতে ট্র্যাকার থাকলে গাড়ি চালু হলেই অবস্থান আপডেট হয় — প্রতিদিন ম্যানুয়াল চালু করতে হয় না। অটো, CNG, রেন্ট-এ-কার, বাস ও ট্রাক — সব type ট্র্যাক করা যায়; ১০০+ গাড়ি এক ম্যাপে দেখা যায়। নেট না থাকলে শেষ জানা অবস্থান দেখায়। আপনার GPS অ্যাকাউন্ট শুধু আপনার বহর — অন্য মালিকের গাড়ি দেখা যায় না।